1. admin@sottosongbad.com : admin :
ঝালকা‌ঠির ঐতিহ্যবাহী প্রসিদ্ধস্থান হদুয়া দরবার শরিফ - রংপুর বার্তা
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা হাতীবান্ধায় ভুয়া বিল ভাউচার দিয়েই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারি টাকা আত্বসাৎ পা দিয়ে লিখে জিপিএ ৫ পেয়েছে ফুলবাড়ীর মানিক বারহাট্টায় বিএনপির ২৬২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা -আটক ১ পাটগ্রামে কর্মসৃজন প্রকল্প কাজের উদ্বোধন আগামী ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ২৭তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা চাকরি দেয়ার জন্য টাকা নিয়ে অন্যজনকে নিয়োগ, মাদ্রাসায় তালা সুন্দরগঞ্জ বাজার দোকান মালিক সমিতির নির্বাচনে-সভাপতি-মিজান, সম্পাদক-লেলিন হাতীবান্ধায় সীমান্তে এক যুবককে বিএসএফের বন্দুকের বাট দিয়ে পিটিয়ে মারার অভিযোগ হানিফ কোচের ধাক্কায় সড়কে প্রাণ গেল বাবা-মা ও মেয়ের

ঝালকা‌ঠির ঐতিহ্যবাহী প্রসিদ্ধস্থান হদুয়া দরবার শরিফ

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০২২
  • ৪৫ বার পঠিত

ঝালকা‌ঠির ঐতিহ্যবাহী প্রসিদ্ধস্থান হদুয়া দরবার শরিফ

জেলা প্রতি‌নি‌ধি (ঝালকা‌ঠি):

ঝালকা‌ঠির নলছিটি শহর থেকে মোল্লারহাট ইউনিয়নের হদুয়া যেতে হলে পীর মোয়াজ্জেম হোসেন সড়ক হয়ে যেতে হবে। আর এই সড়কটি যার নাম করনে করা হয়েছে তিনিই হচ্ছেন হদুয়া দরবার শরিফের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম হযরত মোয়াজ্জেম হোসাইন (রঃ)। যিনি ঝালকাঠির নওয়াপাড়ায় ১৮৬৬ সালে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবার নাম আলহাজ্ব হযরত হেলাল উদ্দিন আহমেদ ও মাতার নাম কামিলা বিবি। তার বাবা ধর্মপরায়ণ মানুষ হওয়ায় ১০ বছর বয়সে তাকে নিয়ে আরবে চলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি সেই সময়ের আরবের নামকরা আলেম হযরত আবদুল হক মোহেজের মক্কী (রঃ) এর সান্নিধ্য লাভ করেন। দীর্ঘ ১৫ বছর তার ওস্তাদের সাথে ইলম শেখার পরে আরও ১২ বছর আরবের মক্কায় কাটিয়ে দেন। ফিরে এসে ১৯৩৫ সালে হদুয়াতে স্থাপন করেন এক ফোরকানীয়া মাদ্রাসা। সেটিরই বর্তমান রূপ হদুয়ার ফাজিল মাদ্রাসা। ১৯৪১ সালে মাদ্রাসাটি আলিম মঞ্জুরী লাভ করেছিল। জানা যায়, নলছিটি উপজেলায় হদুয়া ছিল এই অঞ্চলের প্রথম মঞ্জুরীপ্রাপ্ত মাদ্রাসা। বাখেরগঞ্জের তৎকালীন জেলা প্রশাসক নূর নবী চৌধুরী, মহকুমা প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম প্রায়ই হদুয়া দরবারে হুজুরের খেদমতে হাজির হতেন এবং মাদ্রাসাটিকে মঞ্জুরী দানের ব্যাপারে তাদের সর্বা‌ধিক অবদান রয়েছে । হদুয়াতে তিনি একটি রিজার্ভ পুকুর খননের ব্যবস্থা করেছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা হুজুরের বিভিন্ন এলাকা সফরের জন্য হুজুরকে ৬০০ টাকায় একখানা পানশী নৌকা তৈরী করে দেন। সফরের বাহন হিসেবে ঐ পানশি নৌকা দীর্ঘকাল স্মৃতি বহনকারী হিসেবে ছিল। এক পর্যায়ে তিনি হদুয়া বিষখালী নদীর তীরে আরও একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। আর সেখান থেকেই ইসলাম প্রচার করতে থাকেন। ধীরে ধীরে তার ভক্ত সংখ্যা বাড়তে থাকে। তার মৃত্যুর কয়েকবছর আগে তার প্রথম স্ত্রীর কন্যা সৈয়দা হালিমা খাতুনকে স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা আবদুল হক’র সাথে বিবাহ দেন।

১৯৪৪ সালে তার মৃত্যুর পর মেয়ের সন্তানরা হদুয়া দরবার শরিফের দায়িত্ব ও পীরের খেলাফত পান। বংশপরম্পরায় বর্তমানে পীর হিসেবে আছেন শাহ মো. আবু তৈয়ব। মরহুম পীর শাহ মো. হাবিবুল্লাহ’র ছেলে জানান, মরহুম পীর শাহ মো. মোয়াজ্জেম হোসাইন (রঃ) এর প্রতি সন্তুষ্টি হয়ে আরবের এক বুজুর্গ তাকে নবিজীর দাড়ি মোবারক সংরক্ষণের জন্য দিয়েছিলেন। যা আমাদের দরবারে এখনো সংরক্ষণ করা আছে। প্রতি বছর ১২ রবিউল আউয়াল তা সর্ব সাধারণকে দেখানো হয়। হদুয়া দরবার শরিফের আয়োজনে প্রতি বছরই তিনদিন ব্যাপী মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রায় ৫- ৬ হাজার লোকের আগমন ঘটে থাকে। মোল্লারহাট ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান সেন্টু বলেন, হদুয়া দরবার শরিফ শুধু নলছিটি না গোটা বরিশাল বিভা‌গের একটি প্রসিদ্ধ স্থান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত  রংপুর বার্তা- ২০২২
Theme Customized By Dev Joynal