1. admin@sottosongbad.com : admin :
নওগায় প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও অবহেলায় ভেংগে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম। - রংপুর বার্তা
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন

নওগায় প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও অবহেলায় ভেংগে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম।

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৫ মে, ২০২২
  • ৮১ বার পঠিত

 

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার পাহাড় পুর ইউ পির দেবরাইল সঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অব্যবস্হাপনায় ভেংগে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম। উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের দেবরাইল সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামসুল আলমের বিরেুাদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ার কারণে স্কুল ছাড়ছে শিক্ষার্থীরা। এব্যাপারে উক্ত বিদ্যালয়ের মানেজিং কমিটির সভাপতি মুনজুর রহমান গত ২৮/৪/২২ইং তারিখে জেলা শিক্ষা অফিস সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।

উক্ত বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায় প্রধান শিক্ষক সামসুল আলম সকাল ১০ টায় স্কুলে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বাড়ী গিয়ে তার সাংসারিক কাজ নিয়ে ব্যাস্ত থাকেন। স্কুলের ২০১৯-২০ এবং২০২০-২১ অর্থ বছরের ক্ষুদ্র মেরামতের বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলন করে কমিটির কোন সদস্যকে না জানিয়ে লামছাম কিছু কাজ করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

গত ২৩ মে সকাল ৯টার পর সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় প্রধান শিক্ষক স্কুলে নেই। সাংবাদিকদের উপস্হিতি টের পেয়ে মোবাইল ফোনে সহকারী শিক্ষক গোলজার হোসেনকে প্রধান শিক্ষক সামসুল আলম হাজিরা খাতায় সিএল লিখতে বলে। উক্ত শিক্ষক সেখানে সিএল লিখেন। তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমার হেড মাষ্টার সামসুল আলম উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী শিক্ষা অফিসারকে ম্যানেজ করে চলে।

উক্ত বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মামুনুর রশিদ বলেন আমি সভাপতি থাকা অবস্থায় স্কুলে বিভিন্ন অনিয়মের কারনে শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি। অভিভাবক আব্দুল মান্নান,আতোয়ার রহমান,মোফাজ্জল হোসেন সহ এলাকার অনেকে জানান প্রধান শিক্ষক সামসুল আলম বিদ্যালয়ে এসে স্বাক্ষর করে চলে যান। সহকারী শিক্ষিকা সুমি পারভীন ও মোস্তারিন পারভীন বলেন আমরা মহিলা মানুষ হেড স্যার যা বলেন তাই করি। বর্তমান বিদ্যালয়ের সভাপতি মনজুর রহমান বলেন আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রধান শিক্ষক একক ভাবে সব কিছু সিদ্ধান্ত ও অনিয়ম দুর্নীতির কারনে একাধিক বার শিক্ষা অফিসে অভিযোগ দিয়েও কোন ফল হয়নি।

প্রধান শিক্ষক সামসুল আলম মোবাইল ফোনে বলেন আমি যে পরিমান বরাদ্দের টাকা পেয়েছি কাজ ঠিকই করেছি। তিনি আরো বলেন আমি যা কিছু করি আমার অফিসারকে ঠিক রেখেই করি। উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার দুলাল বর্মন বলেন, আমি প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য যে টুকু সম্পর্ক থাকা দরকার তাই আছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফজলুর রহমান বলেন আমাকে কি ভাবে ম্যানেজ করেছে আপনারাই তার কাছ থেকে জেনে নিন। তিনি আরও বলেন, প্রধান শিক্ষক সামসুল আলমের বিরুদ্ধে কয়েকটা অভিযোগ আছে জরুরী ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত  রংপুর বার্তা- ২০২২
Theme Customized By Dev Joynal