1. admin@sottosongbad.com : admin :
পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, বাইক নিয়ে নৌকায়। - রংপুর বার্তা
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন

পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, বাইক নিয়ে নৌকায়।

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই, ২০২২
  • ৪৯ বার পঠিত

পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, বাইক নিয়ে নৌকায়।

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞাসহ ঈদের আগে-পরে নৌপথে ফেরি বা লঞ্চে করে পারাপার নিষিদ্ধ ঘোষণা করায় বিপাকে পড়েছেন ঘরমুখী বাইকচালকেরা।

সেতু পারাপারের সুযোগ পেতে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষার পর নিরাপত্তা কর্মী, সেতু কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসনের তোপের মুখে অনেক বাইকার বাড়ি ফিরে গেছেন। কেউ কেউ আবার ট্রলারে করে ঝুঁকি নিয়ে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন।

এর আগে ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পরের দিনই সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপার নিষিদ্ধ করে কর্তৃপক্ষ। সেতু দিয়ে ঈদের আগে আর বাইক চলাচলের সুযোগ দেয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে।

এই নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পর এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে মাওয়া পর্যন্ত দিয়ে ফেরি দিয়ে পদ্মা নদী পার হয়ে আবার বাইকে চড়ে গন্তব্যে যাচ্ছিল বাইকাররা। কিন্তু গত ৬ জুলাই নৌপথে দুই চাকার যানটি বহন নিষিদ্ধ করা হয়।
বলা হয় আগামী ১০ দিন এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। অর্থাৎ ঈদের পর আরও পাঁচ দিন লঞ্চে বা ফেরিতে করে বাইক পরিবহন করা যাবে না।

এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা আসে ৭ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত আন্তজেলায় মোটরসাইকেল চালাতে হবে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়া যাবে না। এসব সিদ্ধান্তই বাইকচালকদের অসন্তষ্ট ও হতাশ করে।

মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে অপেক্ষায় থাকা কয়েকজন মোটরসাইকেলচালকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেতুতে মোটরসাইকেলের জন্য ১০০ টাকা করে টোল নির্ধারিত থাকলেও নৌকায় করে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা করে নদী পাড়ি দিতে হচ্ছে।

মোটরসাইকেলচালক ইমরান হোসেন যাবেন মাদারীপুরের কালকনিতে। তিনি বলেন, ‘ইচ্ছা ছিল ঈদে মোটরসাইকেলে করে পদ্মা সেতু পাড়ি দেব। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে সেটি পূরণ হলো না। এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে নৌকায় করে পাড়ি দিতে হচ্ছে উত্তাল পদ্মা।

‘অন্যের দায় আমাদের উপর চাপানো হচ্ছে। আরও অনেক গাড়িই তো এক্সিডেন্ট করেছে, সেগুলো কি বন্ধ করা হয়েছে।’

মোটরসাইকেলচালক মো. ইমরানের বাড়ি মাদারীপুর। পদ্মা সেতু চালু হওয়াতে তিনি অনেক খুশি। কিন্তু মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞায় কিছুটা আফসোসও হচ্ছে তার।
তিনি বলেন, ‘বাইক নিয়ে পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি যেতে পারছি না, তাই খারাপ লাগছে। এতে সড়কে বিভিন্ন জায়গা ভোগান্তিতে পড়তে হলো। এখন ট্রলারে করে বাইক নিয়ে পদ্মা পাড়ি দিয়ে ওপারে যাবো।’

ইলা হাওলাদার বলেন, ‘আমি ও আমার হাজব্যান্ড ঈদের ছুটিতে যাব পদ্মার ওপারে। কিন্তু সেতুতে মোটরসাইকেল চলবে না, ফেরিতে চলবে না। আমাদের ও পাড়ে যেতেই হবে, তাই বিকল্প ব্যবস্থা না পেয়ে ট্রলারে করে নদী পাড়ি দিচ্ছি।’

এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি রাজি হননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত  রংপুর বার্তা- ২০২২
Theme Customized By Dev Joynal