1. admin@sottosongbad.com : admin :
লালমনিরহাটে পানিবন্দি কয়েক হাজার পরিবার - রংপুর বার্তা
রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে অসহায় ও দুস্থ সু‌বিধা ব‌ঞ্চিত শীর্তাত মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার মাদ্রাসায় না এসেও বেতনভাতা উত্তোলন করার অভিযোগ এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভয়নগরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা লোডশেডিংয়ের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ইরি-বোরো চাষাবাদ সুন্দরগঞ্জে বোরো চারা রোপনে দিনমজুর সংকট রূপগঞ্জে অপহরণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার, অপহৃত কিশোরী উদ্ধার সুন্দরগঞ্জের ঝিনিয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন রূপগঞ্জে এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন রূপগঞ্জে ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ১ বছর ধরে শিকলে বন্দি আসাদুজ্জামান

লালমনিরহাটে পানিবন্দি কয়েক হাজার পরিবার

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২০ জুন, ২০২২
  • ৫৬ বার পঠিত

লালমনিরহাটে পানিবন্দি কয়েক হাজার পরিবার

লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ কয়েকদিন হতে টানা বর্ষন ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসায় পাহাড়ি ঢলের পানির ফলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পায়। ফলে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের ৩ হাজার পরিবারসহ প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
রান্না ও টয়লেটসহ স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে নদী পাড়ের হাজার হাজর মানুষ। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের জন্য ১৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হলেও এখনও অধিকাংশ পানিবন্দি পরিবার ত্রাণ সহায়তা পায়নি বলে জানা গেছে।

রবিবার (১৯ জুন) বিকাল ৪টায় তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার (৫৩ সেন্টিমিটার) মাত্র ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয় (স্বাভাবিক ৫২.৬০ সেন্টিমামিটার)। এর আগে শনিবার রাতে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটারের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। গত কয়েকদিন থেকে জেলার সব নদীর পানি হ্রাস-বৃদ্ধির মধ্যে রয়েছে।

জানা যায়, ভারী বর্ষণ আর উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র ৬ সেন্টিমিটারের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নদী তীরবর্তী জেলার পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালিগঞ্জ, আদিতমারী ও সদরের ১০ হাজারেরও বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। হাটু থেকে কোমর পানিতে বন্দী এসব লোকজন রান্না ও টয়লেট করতে পারছেন না। রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় চলাচলসহ স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে না পারায় চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ। স্কুল-কলেজ ডুবে যাওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে। শুকনো খাবার ও নিরাপদ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়াও পোষাপ্রাণী গরু, ছাগল, হাস মুরগী নিয়েও অসহায় অবস্থায় রয়েছেন তিস্তা পারের লোকজন।

জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বন্যার্তদের সাহায্যের জন্য ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শুকনো খাবারসহ নগদ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। নদীভাঙ্গনে জিও ব্যাগ ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিস্তা ও ধরলার পানি বৃদ্ধি ও জেলার পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, দোয়ানী, ছয়আনী, সানিয়াজান ইউনিয়নের নিজ শেখ সুন্দর, বাঘের চর, ফকিরপাড়া ইউপির রমনীগঞ্জ, সিঙ্গামারি ইউনিয়নের ধুবনী, সিন্দুর্না ইউপির পাটিকাপাড়া, হলদিবাড়ী, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, শৈইলমারী, নোহালী, চর বৈরাতি, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, পলাশী ও সদর উপজেলার ফলিমারীর চর খুনিয়াগাছ, রাজপুর, গোকুণ্ডা ইউনিয়নের তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করায় প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারীর তালেব মোড় এলাকার শফিকুল ইসলাম বলেন, অত্র ইউনিয়নের ১,৩,৫,৬ আর ৯ এর অংশ পরিবার ৭ দিন যাবত পানি বন্দী হয়ে আছে। চারিদিকে পানির ফলে তারা ঘর থেকে বের হতে পারছেন। এই পরিবার গুলোর মধ্যে অধিকাংশ লোকই দিন মজুর ও জেলে হওয়ায় তারা খাদ্যাভাবে ভুগছে। দ্রুত তাদের জন্য সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা করা দরকার।
একই এলাকার চা দোকানদার বিপ্লব হোসেন বাবু (৩৮) বলেন, কয়েকদিন হতে আমরা পানিবন্দী হলেও এখন পর্যন্ত সরকারি সহায়তা বলতে কিছুই পাইনি।
৬ নং ওয়ার্ডের দিনমজুর বোরহান আলী বলেন, ৮-১০দিন হতে পানি বন্দী। গতকাল একটু পানি কমলেও আজকে আবারও বেড়ে গেছে।

হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু বকর সিদ্দিক শ্যামল বলেন, গত কয়েকদিনে প্রায় ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পরেছে। এদের মধ্যে অধিকাংশ লোক দিনমজুর ও মৎস্যজীবী হওয়ায় অনেকেই খাদ্য সংকটে ভুগছে। এখন পর্যন্ত কোন ত্রান-সাহায্য পাওয়া যায়নি। ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু পরিবারকে সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাইদুল ইসলামে সাথে কথা বলার জন্য তার মুঠোফোনে কল দেয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

আদিতমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মফিজুল ইসলাম বলেন, উপজেলার মহিষখোচা, দুর্গাপুর ইউনিয়নের পানিবন্দি লোকজনের তালিকা করে সাহায্য করা হচ্ছে। বন্যাদুর্গতদের সকল সহযোগিতা অব্যাহত আছে।

এ ব্যাপারে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ আবু জাফর বলেন, বন্যাকবলিত জেলার পাঁচ উপজেলায় ১৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার তা বিতরণও শেষ হয়েছে। বন্যা কবলিত যেসব এলাকা আছে সেগুলোতে শুকনো খাবার বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, গতকালের চেয়ে আজ তিস্তা ও ধরলার পানি বেড়ে বিপৎসীমার লেবেলে উঠা-নামার মধ্যে রয়েছে। নদীভাঙ্গন রোধে বিভিন্ন যায়গায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। এ ছাড়াও জরুরি প্রয়োজনে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

AKASH Digital TV

May be an image of text that says 'হেলপ লাইন: 01713636661 sop fe. ESOP পমষ্দির বিডি একটি মোবাইল থেকে সকল অপারেটরে রিচার্জ সর্বোচ্চ কমিশন সুবিধা অ্যপস ও এসএমএস দিয়ে রিচার্জ সুবিধা ২৪ ঘন্টাই অফুরন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধা প্রতিদিন স্পেশাল ড্রাইভ অফার ২৪ ঘন্টা কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস A product of ESOP BANGLADESH LTD'

© স্বত্ব সংরক্ষিত  রংপুর বার্তা- ২০২৩
Theme Customized By Dev Joynal