1. admin@sottosongbad.com : admin :
লালমোহনে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর পেটে প্রধান শিক্ষকের লাথি - রংপুর বার্তা
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

লালমোহনে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর পেটে প্রধান শিক্ষকের লাথি

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ১১৮ বার পঠিত

লালমোহনে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর পেটে প্রধান শিক্ষকের লাথি

ভোলা প্রতিনিধিঃ
ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের লেছ-ছকিনা ১নং ওয়ার্ডের উত্তর চর ছকিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দ্বারা সেকান্তর মাতাব্বর বাড়ির শাহাবুদ্দিন মাতাববরের পুত্র সোহেলের ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ ফাহিমা বেগমের পেটে লাথি দিয়ে বাচ্চা নষ্টের চেষ্টার অভিযোগ।
২২ অক্টোবর শনিবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় লেছ-ছকিনা ১নং ওয়ার্ডের সেকান্তর মাতাব্বর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে অভিযোগ করে গৃহবধূ ফাহিমা বেগমের শশুর জানান, দীর্ঘ এক মাস আগে অভিযুক্ত ফারুক মাস্টারের সঙ্গে জমি-জমা বিরোধে ফারুক মাস্টার ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করি। সেই মামলার তদন্ত করতে লালমোহন থানার এসআই মামুন তদন্ত করতে গেলে ফারুক মাষ্টার ও তার ভাই পালিয়ে যায়। তখন পুলিশ বিষয় গুলো তদন্ত করে ঘটনাস্থল থেকে চলে গেলে ফারুক মাস্টার ও তার ভাই আবুল কালাম ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বাসায় এসে আমার পুত্রবধূ ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ফাহিমা বেগমেকে সামনে পেয়ে তার পেটে লাথি মাড়ে উত্তর চর-ছকিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক মাষ্টার। ফারুক মাস্টারের লাথির আঘাতে আমার পুত্রবধূ চিৎকার দিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। অজ্ঞান হওয়ার পরেও ফারুক মাষ্টার ও তার ভাই আবু কালামের স্ত্রী ও মেয়ে সহ মারধর করে। আমি পাশের চকিতে ঘুমচ্ছিলাম আমি আমার পুত্রবধূর চিৎকার শুনে তার কাছে আসলে আমাকে এলোপাতাড়ি ফারুক মাষ্টার ও তার ভাই আবু কালামের পরিবার ধারালো দা, ছেনি ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আসে আমাকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে মারধর করে এতে আমাদের ডাক চিৎকার শুনে প্রতিবেশিরা আসলে তারা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আমাদেরকে আহত অবস্থায় লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। আমি ভোলা জেলা প্রশাসন ও লালমোহন থানার প্রশাসনের কাছে আমার পুত্রবধু অন্তঃসত্ত্বা ফাহিমা বেগমের পেটে লাথি ও আমার উপর অমানবিক নির্যাতনের সঠিক বিচারের দাবী জানাচ্ছি।
প্রধান শিক্ষক ফারুক মাষ্টারের বিষয়ে স্থানীয় প্রতিবেশীদের জিজ্ঞেস করলে, অনেকেই নাম বলতে অনিচ্ছুক কিন্তু তারা জানান এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে কিন্তু তারা আজও তাদের অভিযোগের সঠিক বিচার পাননি।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফারুক মাস্টারের সঙ্গে মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে, তার মুঠোফোন টি বন্ধ থাকায় তার যোগাযোগ করা যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত  রংপুর বার্তা- ২০২২
Theme Customized By Dev Joynal