1. admin@sottosongbad.com : admin :
শীতের দাপটে কাঁপছে পঞ্চগড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস - রংপুর বার্তা
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন

শীতের দাপটে কাঁপছে পঞ্চগড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ৩৭ বার পঠিত

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ
সাত ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে উত্তরের সীমান্ত
উপজেলা তেঁতুলিয়া। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিসেবে সোমবার সকাল ৯টায় রেকর্ড হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর ৬টায় রেকর্ড করা হয় ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। টানা তিনদিন মৃদু শৈত্যপ্রবাহ থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিয়েছে।

প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বলেন, সোমবার সকাল ৯টায় জেলায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। যা সারাদেশের সর্বনিম্ন। মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তরের এ জনপদ। সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ।

ভোর ৬টায় ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এ তাপমাত্রায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে। গতকাল রবিবার রেকর্ড হয়েছিল ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। উত্তর-পূর্বকোণ থেকে ৩ নটিক্যাল গতিতে বয়ে যাওয়া হিমেল বাতাসের কারণে ঠান্ডা অনুভব হচ্ছে।

তবুও জীবিকার তাগিদে কেউ পাথর তুলতে, কেউ চা-বাগানে আবার কেউ দিনমজুরের কাজ করতে যাচ্ছেন। এসব মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য সরকার যে ত্রাণ দিয়েছে তা একেবারেই অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢাকা। শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক, দিনমজুর থেকে শুরু করে ছোটখাটো যানবাহন ভ্যান চালক মানুষগুলো। তীব্র শীতের প্রকোপে সকালে কাজে যেতে পারছেন না অনেকে।

চা শ্রমিক মানিক , রুবেল ও আখি জানান, সকালে বরফের মতো ঠান্ডা। চা বাগানে কাজ করতে গেলে হাত-পা যেন অবশ হয়ে আসে। কিন্তু জীবিকার তাগিদে কাজে বের হতে হয় আমাদের।

পাথর শ্রমিক সাহিন, বাদশ ও আব্দুল জানান, ঠান্ডায় নদীর পানি বরফের মত মনে হয়। তারপরেও আমাদের পাথরই জীবিকা। তাই কাজে বেড়িয়েছি। কদিন ধরে নদীর ঠান্ডা পানিতে কাজ করে জ্বর-সর্দিতে ভুগলাম। ক্ষুধার্ত পেটতো ঠান্ডা বুঝে না।

নারী পাথর শ্রমিকরা বলছেন, তীব্র শীতের কারণে তাদেরও কাজে যেতে কষ্ট হচ্ছে। ঘর সংসার সামলিয়ে তাদেরকে জীবিকার তাগিদে কাজে যেতে হচ্ছে। শীতের কারণে তাদের অনেক সময় কাজে যেতে দেরি হলে মহাজনরা অনেক সময় কাজে নিতে চান না।

কিন্তু পরিবারের কথা চিন্তা করে সকালেই পাথর তোলার সরঞ্জাম নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছি। একই কথা জানান কয়েকজন দিন মজুর ও নারী পাথর শ্রমিক। তাই এ সময়টাতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে পারলে কিছুটা হলেও সুরক্ষা মিলবে।

শীতের কারণে পড়ালেখা স্থবির হয়ে পড়েছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও। সকালে স্কুল শিক্ষার্থী তানিয়া, কাজল ও নাইমা খাতুন জানায়, কনকনে শীত। রাতে পড়তে পারি না শীতের কারণে। রাতে যেন তাপমাত্রা জিরোতে চলে আসে। সকালে কুয়াশা আর বাতাসের কারণে প্রাইভেট ও স্কুলে যাওয়াও কষ্ট হচ্ছে।

এদিকে শীতে প্রকোপে বেড়েছে নানান শীতজনিত রোগ। জ্বর, সর্দি-কাঁশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়েরিয়া, নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগ নিয়ে হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হচ্ছেন রোগীরা। উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। এদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।

চিকিৎসকরা বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে রোগীর চাপ বেড়েছে। এমনিতে শীত মৌসুমে আবহাওয়া শুষ্ক থাকায় বাতাসে জীবাণুর পরিমাণ বেড়ে যায়। শীতজনিত রোগ হিসেবে সর্দি-কাঁশি, শ্বাসকষ্ট বেশি হয়ে থাকে। আর শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠরা শীতজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

AKASH Digital TV

May be an image of text that says 'হেলপ লাইন: 01713636661 sop fe. ESOP পমষ্দির বিডি একটি মোবাইল থেকে সকল অপারেটরে রিচার্জ সর্বোচ্চ কমিশন সুবিধা অ্যপস ও এসএমএস দিয়ে রিচার্জ সুবিধা ২৪ ঘন্টাই অফুরন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধা প্রতিদিন স্পেশাল ড্রাইভ অফার ২৪ ঘন্টা কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস A product of ESOP BANGLADESH LTD'

© স্বত্ব সংরক্ষিত  রংপুর বার্তা- ২০২৩
Theme Customized By Dev Joynal