1. admin@sottosongbad.com : admin :
সুন্দরগঞ্জে মনিটরিং জোরদার সারের দোকানে কৃষকের উফছে পরা ভীড় - রংপুর বার্তা
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন

সুন্দরগঞ্জে মনিটরিং জোরদার সারের দোকানে কৃষকের উফছে পরা ভীড়

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০২২
  • ৪২ বার পঠিত

সুন্দরগঞ্জে মনিটরিং জোরদার
সারের দোকানে কৃষকের উফছে পরা ভীড়

হযরত বেল্লাল, সুুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ

গত এক সপ্তাহ ধরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিসিআইসি অনুমোদিত ১৬টি রাসায়নিক সারের ডিলারের দোকানে কৃষকের উফছে পরা ভীড় লক্ষ করা গেছে। খুচরা বিক্রেতার নিকট সার বিক্রি বন্ধ এবং প্রয়োজনের তুলনায় কৃষক যাতে করে বেশি সার ক্রয় করতে না পারে সে জন্য উপজেলায় মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ডিলারের দোকানে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাগণের উপস্থিতিতে সার বিক্রি নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত রোববার বিকালে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আল মারুফ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা, শান্তিরাম ও শ্রীপুর ইউনিয়নের বিসিআইসি রাসায়নিক সার ডিলার মনিটরিং ও সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রয়ের পরামর্শ প্রদান করেছে।
এ সময় উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল কবির ও এসএপিপিও সাদেক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে কৃষকের দাবি চাহিদা মোতাবেক সার দিচ্ছে না ডিলার। অপরদিকে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর ও ডিলারদের দাবি সারের কোন ঘাটতি নেই। কৃষকরা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি করে সার ক্রয় করে রাখার চেষ্টা করছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নের ১৬টি রাসায়নিক সারের ডিলারের দোকানে রোববার সকাল পর্যন্ত ইউরিয়া মজুদ রয়েছে ৯৭ মেট্রিক টন। এছাড়া টিএসপি ৫৯, এমওপি ৫ এবং ডিএফপি ২৮ মেট্রিকটন মজুদ রয়েছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর প্রতিটি ডিলার ৫০ মেট্রিক টন করে ইউরিয়া সারের বরাদ্দ পাবে।
দহবন্দ ইউনিয়নের কৃষক বাবু মিয়া জানান, তার সারের প্রয়োজন ৩ বস্তা। কিন্তু ডিলার এক বস্তার বেশি সার তাকে দিচ্ছে না। সে ৫ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষাবাদ করেছে। তিনি আরও বলেন ডিলাররা খুচরা বিক্রেতার নিকট সার বিক্রি করছে। অথচ কৃষককে এক বস্তার বেশি দিচ্ছে না।
বেলকা ইউনিয়নের সারের ডিলার আমিনুল ইসলাম জানান, অনেক কৃষক বেশি করে সার দাবি করছে। খুচরা বিক্রেতাদের নিকট সার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী ১ সেপ্টেম্বরের পর থেকে কৃষকের চাহিদা আর থাকবে না।
উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল কবির জানান, উপজেলায় সারের কোন সংকট নেই। কৃষকরা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি করে সার ক্রয় করে বাড়িতে মজুত করে রাখার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন উপজেলায় প্রতিদিন মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। রেজিষ্টারে কৃষকদের নাম লিখে সার বিতরণ করা হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতাদের নিকট সার বিক্রি সম্পন্নরুপে বন্ধ রয়েছে।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আল মারুফ জানান, উপজেলার ১৬টি ডিলারের দোকানে পর্যাপ্ত পরিমানে সার মজুত রয়েছে। তবে কিছু সংখ্যক অসাধূ কৃষক বেশি করে সার ক্রয় করে রাখার চেষ্টা করছে। সে জন্য উপ-সহকারি কৃষি কর্মকতাদের উপস্থিতিততে কৃষক নির্বাচন করে সার বিতরণের ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত  রংপুর বার্তা- ২০২২
Theme Customized By Dev Joynal