1. admin@sottosongbad.com : admin :
হাতীবান্ধায় মালিকের প্রয়োজনেও দোকান ঘর ছেড়ে দিচ্ছেনা ভারাটিয়া - রংপুর বার্তা
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন

হাতীবান্ধায় মালিকের প্রয়োজনেও দোকান ঘর ছেড়ে দিচ্ছেনা ভারাটিয়া

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০২২
  • ৭৯ বার পঠিত

হাতীবান্ধায় মালিকের প্রয়োজনেও দোকান ঘর ছেড়ে দিচ্ছেনা ভারাটিয়া

মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা মালিকের প্রয়োজনেও দোকান ঘর ছেড়ে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে। এনিয়ে ঝগড়া হলে উল্টো মালিকের বিরুদ্ধে দোকানঘর ভাঙচুরের অভিযোগ করে ভাড়াটিয়া।

এবিষয়ে দোকান মালিক সাংবাদিকদের জানালে তারা বুধবার (৭ই জুলাই) সকালে হাতীবান্ধা উপজেলার সিংগীমারী ইউনিয়নের ধুবনী হাজীর মোড় এলাকায় গিয়ে দেখতে পায়, ঐ এলাকার শাহিনা বেগমের ক্রয়কৃত জমির উপর দীর্ঘদিন ধরে পোল্ট্রি মুরগির ব্যবসা করে আসছে ভাড়াটিয়া জাকির হোসেন।

জানা গেছে, গত দুইমাস আগে শাহিনা বেগম একই এলাকার মৃত আব্দুল লতিফের ছেলে শহিদুল ইসলামের নিজ নামিও আড়াই শতাংশ জমি ক্রয় করেন। যার দলিল নং ২৪৯০/২২। এরপর ঐসময় জমির উপর পোল্ট্রি ব্যবসা করার জন্য ভাড়াটিয়া হিসেবে জাকির হোসেনকে ভাড়া দেয়া হয়। পুরাতন ঘর মেরামত করার জন্য জাকির হোসেনকে দোকানঘর ছেড়ে দিতে বললে তিনি টালবাহানা করতে থাকে। পরে এনিয়ে স্থানীয় বসাবসি হলে সাবেক ইউপি সদস্য মোশাররফ হোসেনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে জাকির হোসেনকে ৭ দিনের সময় বেঁধে দিয়ে ঘড় ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়।
কিন্তু ১২ দিন পরও ঘরছেড়ে না দিলে মালিক পক্ষ এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সামনে জাকির হোসেনকে ডেকে তার দোকানে থাকা ১৬ টি মুরগী বের করে দিয়ে পুরাতন দোকান ঘর ভেঙে নতুন ঘর করার জন্য কাজ শুরু করেন। এসময় ঐ জমির পুর্বের মালিক শহিদুল ইসলাম মিলনের মা দৌলতন নেছা বাঁধা দিলে থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে দোকানের সকল ধরনের কাজ বন্ধ রাখা হয়।
এবিষয়ে ভাড়াটিয়া জাকির হোসেন বলেন, আগে থেকে কিছু না বলে হঠাৎ করে জমির মালিকপক্ষ এসে আমার দোকান ভেঙ্গে মুরগীসহ সব কিছু লুটপাট করে নিয়ে গেছে। তাই আমি থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছে।

দোকান ঘরের মালিক শাহিনা বেগম বলেন, আমরা জাকিরকে ৭ দিনের সময় দিয়েছিলাম কিন্তু ১২ দিন পরও তিনি দোকান ছেড়ে দেয়নি।
এবিষয়ে জমির পুর্বের মালিক মিলনের মা বলেন আমার ছেলে মিলন জমি বিক্রি করার সময় আমাদের সাথে কোন কথা বলেনি আগে বললে আমার ছোট ছেলে মিঠু জমি ক্রয় করতো তাই আমরা ওই জমির উপর আদালতে পেনশনে টাকা দাখিল করেছি।

এবিষয়ে হাতীবান্ধা থানা অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, দোকান ভাংচুরের একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত  রংপুর বার্তা- ২০২২
Theme Customized By Dev Joynal